মূল বিষয়বস্তুতে যান
+88 01768 003 747প্রতি শুক্রবার বিনামূল্যে ক্লিনিক, 10:00–14:00ফেসবুক(নতুন ট্যাবে খোলে)ENবাংলা
দান করুন
2019 সালে AKWO-র প্রথম দিকের একটি স্বাস্থ্য ক্যাম্পে একজন স্বেচ্ছাসেবক শিশু ও এক বয়স্ক পুরুষের নিবন্ধন করছেন

পরিচিতি

আমাদের ইতিহাস

2019 সালে পীরবাড়িতে আমগাছের ছায়ায় একটি স্বাস্থ্য ক্যাম্প থেকে শুরু করে 70,000-এর বেশি রোগীর চিকিৎসা পর্যন্ত। এই পাতায় সংস্থার নিজের লেখা বিবরণটিই রাখা হয়েছে, শুধু বানান সংশোধন করে।

আবুল খায়ের ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের পেছনের গল্প

এ অঞ্চলের কৃতী ব্যক্তিত্ব এ. কে. রফিকুল হুসাইন (A.K. Rafiqul Hussain), যিনি “খায়ের মিয়া সাব” নামে পরিচিত এবং এলাকায় এক কিংবদন্তিতুল্য ও অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় মানুষ। তাঁর নামের সম্মানে তাঁর যোগ্য সন্তান মঈদুল হুসাইন মার্শাল (Moyeedul Hussain Marshal) এ অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের এই মহতী উদ্যোগ শুরু করেন, যার কেন্দ্রে রয়েছে উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও অবকাঠামো।

2019 সালের 6 জুন সোমবার উত্তর লক্ষ্মীপুর হাজির হাটি গ্রামের পীরবাড়ির শান্ত পরিবেশে, আম ও পেয়ারা গাছের সবুজ ছায়ায় ঘেরা প্রাঙ্গণে প্রথম স্বাস্থ্য ক্যাম্প আয়োজন করা হয়। এখান থেকেই এ অঞ্চলে “আবুল খায়ের ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন”-এর সেবার সূচনা। এরপর 4 জুলাই সরকার-নিবন্ধিত উন্নয়ন সংস্থা “এক রঙা এক ঘুড়ি”-র সহযোগিতায় চিকিৎসক, নার্স, স্বেচ্ছাসেবক ও এলাকার শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে আনন্দমুখর পরিবেশে “আবুল খায়ের হেলথ কেয়ার” (AKHC) প্রকল্পের উদ্বোধন হয়।

তখন থেকে দুজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের একটি দল ঐতিহ্যবাহী বাইশমৌজা বাজার কার্যালয়ে প্রতি সপ্তাহে ব্যবস্থাপত্র ও জরুরি ওষুধ দিয়ে আসছেন। গত পাঁচ বছরে সংস্থাটি প্রায় 44,000 মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে। এর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আইটি প্রশিক্ষণ, পরিবারগুলোর জন্য সহায়তা কর্মসূচি এবং উত্তর লক্ষ্মীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে একটি একাডেমিক ভবন নির্মাণের কাজ চলছে, যেখানে কারিগরি শিক্ষার ব্যবস্থা থাকবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার, বিশেষ করে কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের গ্রামগুলোতে নানা সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমে আবুল খায়ের ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে।

সময়রেখা

নিচের প্রতিটি ঘটনা সংস্থার নিজস্ব প্রতিবেদন, পোস্ট বা বিতরণ তালিকা থেকে নেওয়া।

  1. 6 জুন 2019

    পীরবাড়িতে প্রথম স্বাস্থ্য ক্যাম্প

    উত্তর লক্ষ্মীপুর হাজির হাটি গ্রামে আম ও পেয়ারা গাছের ছায়ায় অনুষ্ঠিত। এই দিনটিকেই সংস্থা তার যাত্রার শুরু হিসেবে গণনা করে।

    2019 সালে AKWO-র প্রথম দিকের একটি স্বাস্থ্য ক্যাম্পে একজন স্বেচ্ছাসেবক শিশু ও এক বয়স্ক পুরুষের নিবন্ধন করছেন
  2. 4 জুলাই 2019

    আবুল খায়ের হেলথ কেয়ারের উদ্বোধন

    চিকিৎসক, নার্স, স্বেচ্ছাসেবক ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে এক রঙা এক ঘুড়ি-র সহযোগিতায় উদ্বোধন। এর ঠিক পরেই বাইশমৌজা বাজারে সাপ্তাহিক ক্লিনিক শুরু হয়।

    বাইশমৌজায় আবুল খায়ের হেলথ কেয়ারের উদ্বোধনে সাজানো প্রবেশতোরণ
  3. 2020

    800 পরিবারের জন্য কোভিড-19 ত্রাণ

    মহামারির লকডাউনে যখন দিনমজুরি ও বাজারের কাজ বন্ধ হয়ে যায়, তখন 800 পরিবারের কাছে জরুরি খাদ্য ও ওষুধ পৌঁছে দেওয়া হয়।

    2020 সালের কোভিড-19 ত্রাণ বিতরণে একটি শিশু মাথায় করে খাদ্যসামগ্রীর বস্তা নিয়ে যাচ্ছে
  4. 2021

    কম্পিউটার প্রশিক্ষণের ব্যাচ

    আবুল খায়ের কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার ব্যাচ ধরে ধরে অফিস অ্যাপ্লিকেশন কোর্স পরিচালনা করে, প্রতিটি ব্যাচের শেষে সনদ ও পুরস্কার দেওয়া হয়।

    আবুল খায়ের কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারের শ্রেণিকক্ষে ডেস্কটপ কম্পিউটারে কাজ করছেন শিক্ষার্থীরা
  5. 2022

    স্বাবলম্বীকরণ প্রকল্প

    পুঁজিহীন পরিবারগুলোকে ছাগল দেওয়া হয়, যাঁদের মধ্যে ছিলেন হাজির হাটির খান বাড়ির ঝরনা বেগম, যাঁর এখন নিজের একটি ছাগলের পাল আছে।

    AKWO-র স্বাবলম্বীকরণ কর্মসূচিতে হস্তান্তর করা একটি ছাগলের তথ্য লিখে রাখছেন একজন স্বেচ্ছাসেবক
  6. 2024

    নিবন্ধন ও একাডেমিক ভবন

    সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে ব্রাহ্মণ 615/24 নম্বরে নিবন্ধিত। উত্তর লক্ষ্মীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে আবুল খায়ের একাডেমিক ভবনের নির্মাণকাজ শুরু হয়।

    নির্মাণাধীন আবুল খায়ের একাডেমিক ভবনের কংক্রিটের কাঠামো
  7. 13 জানুয়ারি 2025

    65 পরিবারের জন্য কম্বল

    শীতের প্রকোপের সময় কৃষ্ণনগর ও বীরগাঁও ইউনিয়নের 65টি পরিবারের হাতে কম্বল তুলে দেওয়া হয়।

    2025 সালের জানুয়ারিতে কৃষ্ণনগর ইউনিয়নে AKWO-র বিতরণ থেকে ভাঁজ করা কম্বল নিয়ে ফিরছেন এক মা ও তাঁর ছেলে
  8. ফেব্রুয়ারি 2025

    18তম কম্পিউটার ব্যাচ সম্পন্ন

    অফিস অ্যাপ্লিকেশন কোর্সের 18তম ব্যাচ শেষ হয়, প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান এবং শতভাগ উপস্থিতির জন্য পুরস্কার দেওয়া হয়।

    আবুল খায়ের কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারে সনদ হাতে অফিস অ্যাপ্লিকেশনের 18তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা
  9. 1 মে 2026

    70,000-এর বেশি মানুষ চিকিৎসা পেয়েছেন

    একটি বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্পে 79 জন রোগীকে সেবা দেওয়া হয় এবং সংস্থা জানায়, সাত বছরে চিকিৎসা পাওয়া মানুষের সংখ্যা 70,000 ছাড়িয়েছে।

    2026 সালের 1 মে বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্পে একজন নারীর হাতে ওষুধ তুলে দিচ্ছেন ক্লিনিকের একজন সহকারী

আমাদের কর্মপদ্ধতি ও বাস্তবায়ন কৌশল

আমরা স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি, দুই ধরনের উদ্যোগেই কাজ করি এবং প্রয়োজনে জরুরি পরিস্থিতিতে সাড়া দিই। প্রতিটি প্রকল্প একটি সুসংগঠিত কর্মপরিকল্পনা অনুসরণ করে, যাতে কাজের গতি ও প্রভাব দুটোই নিশ্চিত হয়। আমাদের পদ্ধতি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করে এবং প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বজায় রাখে।

প্রকল্পের তালিকা

আমরা আমাদের প্রকল্পগুলোকে অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের উদ্যোগ হিসেবে ভাগ করি, যা সমাজকল্যাণের নানা ক্ষেত্র জুড়ে বিস্তৃত। এই তিনটি তালিকা আলাদা রাখার কারণেই একই কাজ দুটি ভিন্ন বছরে দুবার গণনা হয়ে যায় না।

প্রকল্প বাস্তবায়ন

প্রতিটি প্রকল্প একটি কৌশলগত পরিকল্পনা অনুসরণ করে, যেখানে বাস্তবায়নের ধাপ, সংশ্লিষ্ট অংশীজন এবং প্রাপ্ত সুফল বিস্তারিতভাবে লেখা থাকে। সুসংগঠিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে উপকারভোগীরা যেন সর্বোচ্চ সহায়তা পান, তা আমরা নিশ্চিত করি।

প্রকল্পের সময়সীমা

প্রতিটি উদ্যোগের জন্য আমরা স্পষ্ট শুরু ও শেষের তারিখ নির্ধারণ করি এবং প্রতিটি ধাপে নিবিড় তদারকি করি। নিয়মিত মূল্যায়ন আমাদের কাজের মান ধরে রাখতে, প্রয়োজনীয় উন্নতি আনতে এবং প্রভাব টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করে।

সততা, স্বচ্ছতা ও কঠোর তদারকিই আমাদের মূল নীতি। প্রকল্পের প্রতিটি ধাপ যত্নের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন করা হয়, যাতে কাজগুলো কাঙ্ক্ষিত ফল দেয় এবং প্রয়োজনে থাকা মানুষদের সর্বোচ্চ উপকারে আসে।

আমাদের লক্ষ্য

এগুলো সংস্থার গঠনতন্ত্রে লেখা লক্ষ্য। কোনোটি প্রতি সপ্তাহেই পূরণ হয়, কোনোটি দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার যার কাজ আমরা সবে শুরু করেছি।

মৌলিক শিক্ষা

এলাকার সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের মৌলিক শিক্ষা দিতে একটি গণশিক্ষা কেন্দ্র, সেই সঙ্গে খেলাধুলার আয়োজন।

বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা

এলাকার শিশু ও কিশোর-কিশোরীরা যেন সুস্থ থাকে, সে জন্য ক্লিনিক ও ভ্রাম্যমাণ ক্যাম্পের মাধ্যমে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা।

বাল্যবিবাহ বন্ধ

বাল্যবিবাহ রোধে গ্রামে গ্রামে সভা, সেমিনার ও সচেতনতামূলক প্রচারণা।

তরুণদের জন্য কাজ

এলাকার দরিদ্র তরুণদের স্বাবলম্বী করে তুলতে ও বেকারত্ব কমাতে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি।

নারীর ক্ষমতায়ন

সুবিধাবঞ্চিত নারীদের জন্য প্রশিক্ষণ, যাতে তাঁদের নিজস্ব আয়ের পথ তৈরি হয়, আর যৌতুক প্রথার অবসান।

প্রতিবন্ধী মানুষের জন্য কাজ

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণ, যাতে তাঁদের পক্ষে আত্মকর্মসংস্থান সম্ভব হয়।

প্রবীণদের যত্ন

প্রবীণদের জন্য বিনোদনের ব্যবস্থা, সেবা ও ওষুধ, আর যাঁরা চান তাঁদের জন্য বয়স্ক শিক্ষা।

ভিক্ষাবৃত্তির অবসান

কাজ ও পুনর্বাসনের সুযোগ তৈরি করে এমন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, যাতে ভিক্ষাবৃত্তিই আর একমাত্র উপায় হয়ে না থাকে।

আধুনিক কৃষি

সভা ও সেমিনারের মাধ্যমে গ্রামবাসীকে কৃষি, মৎস্যচাষ, হাঁস-মুরগি পালন, কুটিরশিল্প, হ্যাচারি ও নার্সারির উন্নত পদ্ধতি শেখানো।

মা ও শিশুর স্বাস্থ্য

দাতব্য স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প ও মাতৃস্বাস্থ্য কেন্দ্র, সেই সঙ্গে গর্ভবতী মা ও শিশুদের অপুষ্টি রোধে ব্যবস্থা।

বিদ্যুৎ, পানি ও স্যানিটেশন

গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষায় স্বল্প খরচের সৌরবিদ্যুৎ ও বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট এবং টেকসই স্যানিটেশন ব্যবস্থা।

জাতীয় দুর্যোগে ত্রাণ

দুর্ভিক্ষ, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, নদীভাঙন, মহামারি, খরা ও অতিবৃষ্টির সময় দুর্গত ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য ত্রাণসামগ্রী।

অংশীজনদের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে হাতের কাছে থাকা ও সহজলভ্য সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার করে বাংলাদেশের মানুষের জন্য সমন্বিত সামাজিক উন্নয়ন অর্জন এবং সুসংহত ও প্রগতিশীল সমাজসেবা নিশ্চিত করা।

এমন একটি পৃথিবী, যেখানে কোনো শোষণ বা বৈষম্য নেই এবং প্রতিটি মানুষ নিজের সম্ভাবনা বিকাশের সুযোগ পায়।

আবুল খায়ের ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনআমাদের স্বপ্ন

অংশীজন ও সহযোগী সংস্থা

আমাদের সংস্থা কাজ করেছে এক রঙা এক ঘুড়ি-র সঙ্গে, যা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অধীনে নিবন্ধিত এবং দেশে ও বিদেশে স্বীকৃত একটি উন্নয়ন সংস্থা।

প্রতিটি ক্যাম্পেইন, সেমিনার, কমিউনিটি সভা ও প্রকল্প বাস্তবায়নে যুক্ত থাকেন স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, শ্রদ্ধেয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং নানা পেশার মানুষ। আমাদের চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে স্থানীয় সরকারি দপ্তর, সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষকেও অবহিত রাখা হয়।

টাকা আসে, হিসাবও দেওয়া হয়

আমরা যেভাবে বাজেট তৈরি করি ও তহবিল সংগ্রহ করি

সদস্যদের মাসিক চাঁদা, সমমনা বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীদের দান এবং স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় আমাদের নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালিত হয়। চলমান প্রকল্পের জন্য আমরা একটি প্রস্তাবিত বাজেট তৈরি করি এবং কাজ নির্বিঘ্নে এগিয়ে নিতে সেই অনুযায়ী তহবিল সংগ্রহ করি।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ, দুর্ঘটনা বা বন্যার মতো জরুরি পরিস্থিতিতে আমরা বাড়তি সহায়তার জন্য সমাজের কাছে আহ্বান জানাই। এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে অনেকেই আমাদের সঙ্গে যুক্ত হন, যা আমাদের কাজের পরিধি আরও বাড়াতে সাহায্য করে।

আমরা যেভাবে দাতাদের কাছে হিসাব দিই

প্রতিটি কার্যক্রম বা প্রকল্পের জন্য আমরা সংশ্লিষ্ট দাতা ও সহায়তাকারীদের কাছে বিস্তারিত প্রতিবেদন দিই। এর পাশাপাশি আমাদের অফিসিয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ওয়েবসাইটে হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করি, যেখানে প্রকল্প, ক্যাম্পেইন ও অন্যান্য কর্মসূচির বিবরণ থাকে।

স্বচ্ছতা ও সততাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি, আর সংস্থার সব কার্যক্রমে পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রাখতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।

শিক্ষার্থীদের জন্য সহায়তা, তিনটি স্তম্ভে

1. সাধারণ শিক্ষায় উপবৃত্তি

আমাদের এলাকার অনেক শিক্ষার্থীর পক্ষেই পড়াশোনার মৌলিক খরচ চালানো কঠিন। উপবৃত্তি কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত যোগ্য শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা দিই।

2. বিনামূল্যে কম্পিউটার শিক্ষা

আজকের দুনিয়ায় ডিজিটাল দক্ষতা আর ঐচ্ছিক নয়। শিক্ষার্থীদের আধুনিক দক্ষতায় গড়ে তুলতে আবুল খায়ের কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারে আমরা বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্স চালাই, যার অফিস অ্যাপ্লিকেশন কোর্সের আঠারোটি ব্যাচ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে।

3. বিনামূল্যে পলিটেকনিক শিক্ষা

দক্ষ পেশাজীবী তৈরি করতে ও বেকারত্ব কমাতে আমরা ওয়েল্ডিং ও প্লাম্বিং, ইলেকট্রিক্যাল ও মেকানিক্যাল কাজ, গার্মেন্টস সেলাই এবং এয়ার কন্ডিশনিং ও রেফ্রিজারেশনে বিনামূল্যে কারিগরি শিক্ষা দিই। উত্তর লক্ষ্মীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে নির্মাণাধীন আবুল খায়ের একাডেমিক ভবনে এই কোর্সগুলো পড়ানো হবে।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদন

A clinic assistant hands medicine to a woman at the free medical camp on 1 May 2026স্বাস্থ্যসেবা

বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ঔষধ বিতরণ ক্যাম্পেইন সম্পন্ন

1 মে 2026-এর ক্যাম্পেইনে ঊনআশিজন রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে, আর সংগঠন জানিয়েছে সাত বছরে তারা 70,000-এর বেশি মানুষকে চিকিৎসা দিয়েছে।

পড়তে 1 মিনিট

Jharna Begum holds two of the goats she has raised from the single animal AKWO gave her in 2022সাফল্যের গল্প

​সাফল্যের গল্প: আত্মপ্রত্যয়ী ঝরনা বেগমের ঘুরে দাঁড়ানোর আখ্যান

2022 সালে হাজির হাটির খাঁ বাড়ির ঝরনা বেগমকে AKWO-এর স্বাবলম্বীকরণ প্রকল্পের আওতায় একটি ছাগী দেওয়া হয়। এখন তাঁর ছয়টি ছাগল।

পড়তে 3 মিনিট

A young girl stands beside a bench under the AKHC sign at the Baishmouja clinicস্বাস্থ্যসেবা

নবীনগরে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা: 54 জন রোগীর চিকিৎসা

শুক্রবারের ক্লিনিকে চুয়ান্নজন রোগীর চিকিৎসা হয়েছে: 24 জন শিশু, 24 জন নারী ও 6 জন পুরুষ; প্রত্যেককে বিনামূল্যে পরামর্শ, রোগনির্ণয় ও প্রয়োজনীয় ওষুধ দেওয়া হয়েছে।

পড়তে 1 মিনিট

সাত বছর পেরিয়ে গেছে, তবু প্রতি শুক্রবার সেই লাইন থেকেই যায়

ক্লিনিকে ওষুধ আর শ্রেণিকক্ষে পাঠ চালু রাখতে আমাদের পাশে থাকুন।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এ নিবন্ধিত · রেজিস্ট্রেশন নম্বর Brahman 615/24